Saturday, 22 August 2026

// // Leave a Comment

পুরোহিত শব্দের অর্থ যদি এই রকম করে করা হয়- পুরো- সমগ্র, হিত – মঙ্গল অর্থাৎ সর্বাঙ্গীন মঙ্গল।

 


*পুরোহিত* 

পুরোহিত শব্দের অর্থ যদি এই রকম করে করা হয়-

পুরো- সমগ্র, হিত – মঙ্গল অর্থাৎ সর্বাঙ্গীন মঙ্গল।

প্রশ্ন হচ্ছে এই মঙ্গল কার? যিনি তাঁকে ডেকে পূজা বা এই ধরনের কার্যকলাপ করছে তাঁর? না কি এই পুরোহিতের? একটু বিশ্লেষণ করা দেখা যাক- 

সাধারণত বলা হয় পুরোহিত গৃহস্তের মঙ্গল কামনা করেন পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে। কিন্তু গভীরভাবে যদি অনুধাবন করি, তাহলে দেখা যায় যে, এটা হাতির দেখানো দাঁত আর খাওয়ার দাঁতের মতো। যেটা বলা হচ্ছে সেটা দেখানো দাঁত। খাওয়ার দাঁত হচ্ছে- এই পুরোহিতের মঙ্গল। অর্থাৎ তিনি কোনো বৈদিক কর্মের ফর্দে এমন অসংখ্য বিষয় লেখেন বা তাদের এই বৈদিক কর্মের ব্যবসায়ের ব্যবস্থায় এমন সব বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে যে, এর ফলে গৃহস্তের সার্বিক মঙ্গলের নামে সার্বিক সর্বনাশ আর পুরোহিতের সার্বিক সুবিধা বা লাভ। কারণ বেশিরভাগ উপকরণইতো সেই পুরোহিতের ঝোলায় চলে যায়।  

পশ্চিম বঙ্গের তৃতীয় শ্রেণির বইয়ে পুরোহিত সম্পর্কে যেটা বলা হয়েছে যেখানে সুকৌশলে একটা বিষয় এড়িয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। বাচ্ছাদের পড়ানো হবে “মানুষের ভয়কে কাজে লাগানো একদল চালাক লোক। তারা হল পুরোহিত।” বাচ্চারা কিন্তু জানবে না বাস্তবে এই পুরোহিত কারা? তারা মনে করবে যিনি দেব-দেবী বা অন্যান্যের পূজা করেন। এই কাজ যে শুধুমাত্র ব্রাহ্মণরাই করতে পারেন। অর্থাৎ তিনি বা তাঁরা হচ্ছেন ব্রাহ্মণ। এই ব্যবস্থা হচ্ছে তাদের একটা ভয় দেখানো ব্যবসা।



0 comments:

Post a Comment