Showing posts with label সদানন্দ বিশ্বস. Show all posts
Showing posts with label সদানন্দ বিশ্বস. Show all posts

Friday, 30 January 2026

// // Leave a Comment

যোগেন্দ্রনাথ বাংলাভাগের পক্ষে নয়, যুক্ত বাংলার পক্ষেই সংগ্রাম করেছিলেন। লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস

 যোগেন্দ্রনাথ বাংলাভাগের পক্ষে নয়, যুক্ত বাংলার পক্ষেই সংগ্রাম করেছিলেন। লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস



যোগেন্দ্রনাথ বাংলাভাগের পক্ষে নয়
, যুক্ত বাংলার পক্ষেই সংগ্রাম করেছিলেন। তাও করেছিলেন তাঁর আপনজনদের স্বার্থে।৪৩ বাংলা ভাগ হয়ে গেলে পূর্ব বাংলার মাটির সংগে যুক্ত এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল তফসিলীরা দেশত্যাগ করে হিন্দু ভারতে আশ্রয় নিতে পারবে না- এই ছিল তাঁর আশংকা। সেক্ষেত্রে বাংলা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য হলেও ৪৭% অমুসলিমদের নামমাত্র সংখ্যাগুরু মুসলিম সম্প্রদায়ের (৫৩%) সঙ্গে মিলেমিশে বাস করার সদিচ্ছার মধ্যে অবাস্তব চিন্তা-ভাবনার কোন লক্ষণই  নেই। যুক্ত বাংলার বা স্বাধীন বাংলার পরিকল্পনা ’৪৬-এর কোলকাতা দাঙ্গার জন্য ধিকৃত সোহরাওয়ার্দি সমর্থন করেছিলেন বলেই কি সেটা খারাপ ছিল? নেতাজীর অগ্রজ শরৎ বসুও তো স্বাধীন বাংলার পরিকল্পনা সমর্থন করেছিলেন। তিনি কি জন্য তা করেছিলেন? তিনি বিভাজিত বাংলায় যে মারোয়াড়ী আধিপত্য ও দিল্লীওয়ালাদের দৌরাত্ম্যের আশংকা করেছিলেন, তা কি আজ সত্যে পরিণত হয় নি?৪৪ আসলে বাংলা ভাগ হয়েছিলো ভারত ভাগের পরিপূরক (Sequel) হিসেবে এবং কংগ্রেস-লীগের ক্ষমতা ভাগাভাগির দরকষাকষির পরিণতি হিসেবে। এজন্য দায়ী যদি কেউ হয়ে থাকেন তো তাঁরা হচ্ছেন নেহেরু- প্যাটেল ও জিন্নাহ্-লিয়াকতেরা মরবার পূর্বে ক্ষমতার স্বাদ পাবার লোভে তাঁরা দেশভাগ করে নিলেন, এখানে যোগেন্দ্রনাথের কোন দায়ই নেই। তাছাড়া, ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভায় বাংলাভাগের প্রশ্নে যে ভোটাভুটি হয়েছিল তাতে তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যোগেন্দ্রনাথের ভোটাধিকারই ছিল না তিনি দায়ী হলেন কোন যুক্তিতে? যত দোষ সব নন্দ ঘোষের? (তথ্য- মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ, লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস পৃষ্ঠা ২২৯)


Read More
// // Leave a Comment

যোগেন্দ্রনাথ তফসিলীদের নানারকম সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নেবার জন্যই মুসলিম মন্ত্রীসভায় যোগদান করেন। লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস

 যোগেন্দ্রনাথ তফসিলীদের নানারকম সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নেবার জন্যই মুসলিম মন্ত্রীসভায় যোগদান করেন। লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস

 


    যোগেন্দ্রনাথ তফসিলীদের নানারকম সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নেবার জন্যই প্রথমে নাজিমউদ্দিন মন্ত্রীসভায় ও পরে সোহরাওয়ানি মন্ত্রীসভায় যোগদান করেছিলেন, যার সুফল আজও তফসিলী ছাত্র-ছাত্রীরা, চাকুরিজীবিরা ভোগ করছেন।" যোগেন্দ্রনাথ মুসলিম লীগ মন্ত্রীসভায় যোগদান করার সুবাদেই সোহরাওয়ার্দি সাহাবুদ্দিনদের সহায়তা লাভ করেছিলেন কংগ্রেসের বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে ডঃ আম্বেদকরকে বাংলা থেকে গণ পরিষদের নির্বাচনে জিতিয়ে দিতে। সে নেপথ্য কাহিনী জেনে নেবার প্রয়োজন আছে। কিন্তু তাই বলে একথা মনে করার কোন কারণ নেই যে, যোগেন্দ্রনাথ মুসলিম লীগের হয়ে গিয়েছিলেন। আমরা যদি রাজনীতিকে অধিকার আদায়ের কৌশল হিসেবে দেখি, তাহলে যোগেন্দ্রনাথের মুসলিম লীগের কিংবা মুসলমানদের সঙ্গে জোটবাধায় দোষের কিছু দেখতে পাবো না। তাছাড়া যোগেন্দ্রনাথের আগে ও তাঁর সংগে আরও অনেক বর্ণ হিন্দু প্রতিনিধিই তো মুসলিম মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন, যেমন- নলিনী রঞ্জন সরকার, শ্রীশচন্দ্র নন্দী, বিজয় প্রসাদ সিংহরায় (১ম হক মন্ত্রীসভা), ডঃ শ্যামাপ্রাসাদ মুখার্জী, সন্তোষ কুমার বসু, প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (২য় হক মন্ত্রিসভা); তুলসীচরণ গোস্বামী, বরদা প্রসন্ন পাইন, তারকনাথ মুখার্জী (নাজিমউদ্দিন মন্ত্রিসভা)। তাঁদের বেলায় দোষ হলো না, যত দোষ হলো যোগেন্দ্রনাথের বেলায়? যোগেন্দ্রনাথ মুসলিম লীগের কিংবা পাকিস্তান আন্দোলনের সপক্ষে কোনদিনই কোন প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন নি। (তথ্য- মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ, লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস, পৃষ্ঠা ২২৯)

Read More
// // Leave a Comment

যোগেন্দ্রনাথ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শুধুমাত্র তফসিলীদের নয়, সমস্ত সংখ্যালঘুদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন।লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস

 যোগেন্দ্রনাথ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শুধুমাত্র তফসিলীদের নয়, সমস্ত সংখ্যালঘুদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন।লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস


যোগেন্দ্রনাথ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শুধুমাত্র তফসিলীদের নয়
, সমস্ত সংখ্যালঘুদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে গেছেন।৩৮ ‘৫০-এর দাঙ্গা-বিধ্বস্ত পূর্ববঙ্গে সরকারী বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে এবং নিজের ভবিষ্যতের কথা মাথায় না এনে তিনি যেভাবে ঝটিকা সফর করে বিপন্ন সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মনে সাহস-বল জুগিয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন- এক কথায় তা অনবদ্য। তাঁর ত্বরিৎ হস্তক্ষেপের ফলে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের সেই ঘোরতর দুর্দিনে অনেক বিপন্ন পরিবার উদ্ধার হয়েছে, অনেকের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। এ ব্যাপারে অধ্যাপক সমর গুহের স্পষ্ট স্বীকৃতি উল্লেখের দাবি রাখেঃ “১৯৫০ সালের ঢাকা দাঙ্গায় যোগেনবাবুর জন্য আমার প্রাণ রক্ষা হয়েছে- সেকথা আজও আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি।”৩৯  (তথ্য- মহাপ্রাণ যোগেন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ, লেখক- সদানন্দ বিশ্বাস, পৃষ্ঠা ২২৮ )

Read More